ব্যাংককে ‘এশিয়া ইন ২০৫০’ সম্মেলনের লাইভস্ট্রিমে আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ) জর্জিয়েভা বলেন, ‘এই সংঘাত যদি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে এর স্পষ্ট সম্ভাবনা আছে—এটি বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্যে, বাজারের মনোভাব, প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব ফেলবে এবং সর্বত্র নীতিনির্ধারকদের ওপর নতুন চাপ তৈরি করবে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত (শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে; এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন এবং এরপর ইরানের পাল্টা হামলার ঢেউ শুরু হয়।
সম্পদসমৃদ্ধ এ অঞ্চলের সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক তেলের দাম বেড়েছে এবং বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার জর্জিয়েভা বলেন, ‘আমরা এমন এক বিশ্বে আছি, যেখানে আরও বেশি ও অপ্রত্যাশিত ধাক্কা আসছে। আমরা আমাদের সদস্যদের বেশ কিছুদিন ধরেই সতর্ক করে আসছি যে অনিশ্চয়তাই এখন নতুন স্বাভাবিক।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সম্ভাব্যভাবে দীর্ঘ সময়ের অস্থিরতার মধ্যে আছি।’
থাইল্যান্ডের রাজধানীতে সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এশিয়ার অধিকাংশ দেশের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা “ঝুঁকির মধ্যে” রয়েছে।’ সাম্প্রতিক কয়েক দিনে বাজার “রোলার কোস্টারের মতো” ওঠানামা করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জর্জিয়েভা বলেন, ‘তাই যত দ্রুত আমরা এই বিপর্যয়ের শেষ দেখতে পাব, ততই সারা বিশ্বের জন্য ভালো।’





