নিহত ইউসুফ ফকির চরমাধবদিয়া এলাকার সহির উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় মমিনখার হাটের পাশের মাঠসংলগ্ন এলাকা থেকে একটি অটোরিকশায় করে বাড়ির সামনে নামেন ইউসুফ। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
আরও পড়ুন:
বিএনপি নেতা ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সিদ্দিকী মিতুল জানান, শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন মমিনখার হাটের পাশের একটি পাটক্ষেতের সামনে হাত পা বাধা অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনার একদিন আগে, বুধবার (১৫ জুলাই) ইউসুফ ফকিরের কাছে ফোন করে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। চাঁদার টাকা না দেয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’





