আজ (সোমবার, ২৭ এপ্রিল) রাতে কুমিল্লায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ষষ্ঠ আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির আদালতে এই আসামিদের উপস্থিত করা হয়। রাতে তাদের কুমিল্লা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, ‘আসামি ইসমাইল হোসেন জনিকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বাকি চার আসামি সোহাগ, এমরান, রাহাত ও সুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে বুলেট বৈরাগী চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লার বাসায় ফেরার কথা থাকলেও শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।
আরও পড়ুন:
শনিবার রাতে বুলেট বৈরাগীর মা নীলিমা বৈরাগী কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন রোববার (২৬ এপ্রিল) র্যাব কুমিল্লা সিপিসি-টু এর অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, বুলেট বৈরাগী হত্যার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দুপুরে ঢাকার র্যাব হেডকোয়ার্টারে এ প্রসঙ্গে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা থাকার পথে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের জাগরজুলী এলাকায় বাস থেকে নেমে কুমিল্লা শহরে যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীদের খপ্পরে পড়ে বুলেট বৈরাগ।
এসময় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে চলন্ত সিএনজি থেকে ফেলে দিলে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে র্যাব। গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার ডুমুরিয়ায় তার শেষকৃত্য সম্পাদন করা হয়।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুশীল বৈরাগীর ছেলে বুলেট বৈরাগী ৪১তম বিসিএস নন ক্যাডার পদে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের যোগদান করেন।
পরে তিনি সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কুমিল্লার বিবির বাজারে স্থলবন্দরে কর্মরত ছিলেন। চাকরির সুবাদে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ পান পট্টি এলাকায় তিনি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার পরিবারে বাবা মা ছাড়াও স্ত্রী উর্মি হীরা ও ছেলে অব্যয় বৈরাগী রয়েছে।





