বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান বুলেট বৈরাগী। পড়াশোনা শেষে ৪১তম বিসিএসে নন-ক্যাডার হিসেবে যোগ দেন রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে। গেল ২৪ এপ্রিল বুনায়দি প্রশিক্ষণ শেষে চট্টগ্রাম থেকে কাস্টমস কর্মকর্তা বৈরাগী ফিরছিলেন কুমিল্লায়। কাছাকাছি স্থানে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বুলেটের একাধিকবার আলাপও হয়। তবে বাড়ি ফেরা হয়নি তার।
এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকা ৪ জন ও বুলেট বৈরাগীর মোবাইল ব্যবহার করা একজনকে আটক করেছে র্যাব-১১।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, ঘটনার দিন রাত ৩টায় কুমিল্লা থেকে বাসায় যেতে সিএনজিতে উঠেন বুলেট বৈরাগী। তবে, আগে থেকেই সিএনজিতে বসা ছিল চার অভিযুক্ত। এমন সময় ছিনতাইয়ের উদ্দেশে তাকে মাথায়-ঘাড়ে একাধিক আঘাত করে অভিযুক্তরা। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে চলন্ত সিএনজি থেকে ফেলে দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। পরদিন সকালে কোটবাড়ির একটি হোটেলের পাশ থেকে মরদেহ পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
র্যাব সদর দপ্তরের উইং কমান্ডার (মিডিয়া) এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ‘কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মো. সোহাগ, ইসমাইল হোসেন জনি, ইমরান হোসেন হৃদয়, রাহাত হোসেন জুয়েল এবং মো. সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট একটি সিএনজি, চাপাতি, সুইচ গিয়ার, ফোর্জিং হ্যামার এবং অন্যান্য দ্রব্যাদি উদ্ধার করা হয়।’
এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ‘নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর ২৫ এপ্রিল সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকার একটি হোটেলের পাশের ফুটপাত থেকে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।’
কেবল ছিনতাইয়ের উদ্দেশেই বুলেটকে হত্যা করা হয়, ধারণা র্যাবের। তবে এ ঘটনায় অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





