জেলাজুড়ে নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-২০ জন ও সাড়ে আট হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশ ১ হজার ৫৯৪, সেনাবাহিনী ৩ হাজার ৪০০, বিজিবি ৪৮ প্লাটুন, র্যাব ১ প্লাটুন, আনসার ভিডিপি ২ হাজার ৭৬৯, বিজিবি ৪৮ প্লাটুন এবং স্ট্রাকিং ফোর্সের ২২টি টিম রয়েছে।
এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থতি পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে জেলা প্রশাসককে প্রধান করে জেলা সেন্ট্রাল কমান্ড গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জেলার ২১৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১৭০টি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্কবিহীন ৩৬টি কেন্দ্র সেনাবাহিনীর ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুৎবিহীন ৬৫টি কেন্দ্রে আলোর ব্যবস্থা এবং ১৭২টি কেন্দ্রে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
জেলার চার উপজেলায় ২০টি হেলিসর্টি কেন্দ্রে ৭ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনি সরঞ্জাম, কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে হেলিকপ্টারে।
নিরাপত্তার জন্য সারা দেশের ন্যায় রাঙামাটিতেও প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী। তিনি বলেন, ‘একমাত্র রাঙামাটি আসনেই ভোটকেন্দ্রে যেতে সড়ক, নৌ ও আকাশ পথ ব্যবহার করতে হয়। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য এরই মধ্যে সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।’





