এর আগে, ‘গ্রেপ্তারের হুমকি’ পেয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা—এমন অভিযোগও উঠে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার নেতাকর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। রাতে ফোন করা হচ্ছে, অনেককে বাসায় ডেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এক ধরনের ভীতির পরিবেশ তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয়ত হচ্ছে, কালো টাকা। আমার কাছে তথ্য এসেছে, বিএনপি সমর্থিত জোট প্রার্থী কয়েক কোটি টাকার বাজেট নিয়ে নেমেছেন। আগামী দুই দিন এগুলো বিতরণ করা হবে। আশা করবো, প্রশাসন এগুলো খেয়াল রাখবে।’
আরও পড়ুন:
জাতীয় পার্টিতে যোগ দেবেন কি না, এ বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সেটা এতো আগে বলতে পারব না। আগে আমাকে নির্বাচন করতে হবে, জয়যুক্ত হতে হবে। তারপর এ সিদ্ধান্ত। আপাতত আমাদের সকলে সামনে একটা বিরাট জাতীয় নির্বাচন ১২ তারিখে হতে যাচ্ছে। সেই নির্বাচনে যাতে কোনোভাবেই পেশীশক্তি, কালো টাকা, ভয়-ভীতি, হুমকি-ধামকির কারণে কোনো যোগ্য প্রার্থী ভোটারের ভোট থেকে যেন বঞ্চিত না হয়। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে, ফলাফল যেন ঠিকভাবে ঘোষণা করা হয়, সেটাই এখন আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’
উল্লেখ্য, বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী রুমিন ফারহানা ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। তার প্রতীক ‘খেঁজুর গাছ।’
সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ ভাষানীসহ দলটির সরাইল উপজেলার নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।





