ব্যবসা-বাণিজ্যে ঐতিহ্য থাকলেও ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে এখনও পিছিয়ে এ জেলা। সম্ভাবনা থাকলেও নানা সীমাবদ্ধতায় এখানে গড়ে ওঠেনি বড় শিল্প কারখানা।
জেলায় ছোট ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ হলেও ভারী শিল্পে বিনিয়োগ খুবই কম। শিল্প উদ্যোক্তাদের মতে, প্রয়োজনীয় গ্যাস সংকট, পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব এবং কম সুদে ঋণ সুবিধা না থাকায় গড়ে উঠছে না ভারী শিল্প কারখানা।
একজন কারখানার মালিক বলেন, ‘ঢাকা আর চট্টগ্রাম একটা বাণিজ্যিক হাভ। এ কারণে ব্যাংকগুলোর দৃষ্টি ঢাকা আর চট্টগ্রামের দিকে। তারাভাবে বগুড়াতো একটা মফশল শহর।’
আরও পড়ুন:
স্থানীয় একজন বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যদি উদ্যোগ নেয় হয়, তাহলে এ এলাকাও শিল্প নগরী হিসেবে গড়ে উঠবে।’
জেলায় শিল্প কারখানা কেন্দ্রিক কর্মসংন্থান রয়েছে নামমাত্র। সম্ভাবনাময় এ জেলাকে ভারী শিল্পের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়নি কখনোই। তাই শিল্পায়ন বাড়িয়ে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়ার দাবি শ্রমিক ও শিক্ষিত বেকারদের। ভারী শিল্পের কারখানা হলে এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে জানান স্থানীয় শ্রমিকেরা।
ভারী শিল্প কলকারখানা প্রতিষ্ঠা হলে পাল্টে যাবে সমগ্র উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি। তাই সরকারি উদ্যোগে দক্ষ জনশক্তি কাজে লাগিয়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের।
ব্যবসায়ী নেতা সাইরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। আর এখানের মূল সমস্যা হলো বিদ্যুৎ, গ্যাস, ব্যাংক ঋণ এগুলো যদি সরকার থেকে ব্যবস্থা করা হয় তাহলে এখানে শিল্প কারখানা গড়ে ওঠবে।’
বগুড়ায় ভারী শিল্পের সংখ্যা প্রায় ২৫টি। যার মধ্যে টাইলস, গ্লাস, কাগজ ও পাটকল উৎপাদনমুখী রয়েছে।





