জানা যায়, উপজেলাটিতে ইসলাম ফিলিং স্টেশন ও মিলিনিয়াম ফিলিং স্টেশনে সপ্তাহে অন্তত ৪০ হাজার লিটার চাহিদা থাকলেও রেশনিংয়ে পাওয়া যাচ্ছে অর্ধেকেরও কম। গেলো ৩ দিন ধরে ইসলাম ফিলিং স্টেশন এবং গত শনিবার (২৫ জুলাই) মিলেনিয়াম ফিলিং স্টেশনে তেল না থাকায় তেল সংকট গুজব ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি বেড়ে যায় চাহিদা।
ইসলাম ফিলিং স্টেশনের পরিচালক প্রিন্সিপাল রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার ৯টার পর হঠাৎ পাম্পে হুরহুর করে মোটরসাইকেল ঢুকে যায় এবং সমস্ত তেল বিতরণ হয়ে যায়, আজ সোমবার তেল ঢুকবে।’
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, আরেক মিলেনিয়াম ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ইসরাফিল আলম বলেন, ‘শুক্র-শনি ডিপো থেকে তেল না আনতে পারায় শনিবার বন্ধ ছিলো পেট্রোল-অকটেন বিতরণ। এরপরই ছড়িয়ে পড়ে গুজব। গতকাল সন্ধা থেকে মোটরসাইকেলের উপচেপড়া চাপে ৪ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন বিতরণ শেষ হলো, সকাল ৯টায় এখন তেল নেই। সন্ধায় গাড়ি আসলে তেল দেয়া শুরু হবে আগের মতো, তেল নিয়ে কোনো সংকট নেই।’
তবে আজ সন্ধার পর পেট্রোল-অকটেন দু’টো পাম্পে স্বাভাবিক হবে বলেও জানান পাম্প কর্তৃপক্ষ। এদিকে তেল নিতে এসে না পেয়ে দুর্ভোগের পাশাপাশি তেল ছাড়াই ফিরে যেতে দেখা যায় অনেককেই।
গ্রাহকরা জানান, তারা তেল সংকটের খবরে ছুটে এসেছেন পাম্পে। এছাড়া এই সুযোগে খোলাবাজারে ২০০ টাকা লিটার পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন অনেকে।





