মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি সিগন্যালের এক প্রতিবেদনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভ্যন্তরীণ এক স্মারকের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হোয়াইট হাউস ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের অফিশিয়াল এক্সে প্রতিবেদনটির লিংক শেয়ার করলেও অভ্যন্তরীণ নথির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নীতি অনুযায়ী সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, আবেদনকারীরা মার্কিন আইন মেনে চলবেন কি না এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বা জনস্বার্থের জন্য হুমকি কি না তা নিশ্চিত করতেই অনলাইনে উপস্থিতি পরীক্ষা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে চাওয়া প্রতিটি বিদেশি নাগরিক যেন মার্কিন আইন মেনে চলেন এবং তারা দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থের জন্য হুমকি না হন, তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিশ্চিত করতেই এই যাচাই করা হচ্ছে।’
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন ও ভিসা সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যকে অন্যতম নিয়ামক হিসেব ধরে নিচ্ছে। এর আগে ফিলিস্তিনপন্থি কার্যক্রমে যুক্ত থাকা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বা ইসরাইলবিরোধী কনটেন্ট পোস্ট করার অভিযোগে বেশ কয়েকজন বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছিল।
নতুন এই নীতি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বা সফরপ্রত্যাশী সাংবাদিকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদেরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড কড়া নজরদারির মধ্যে পড়বে। তবে নাগরিক অধিকার রক্ষা সংস্থাগুলো সরকারের এই পদক্ষেপে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
—বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে অবলম্বনে





