আহতরা হলেন— মান্নান (৫০), তার স্ত্রী সুলতানা (৩৫), ছেলে সিয়াম (১৯), মেয়ে মিম (১৩) এবং পথচারী শিশু হযরত আলী (৮)। তাদের মধ্যে সুলতানার শরীরের ৯০ শতাংশ, সিয়ামের ৭৭ শতাংশ, মান্নানের ৩০ শতাংশ এবং মিমের ৪১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্যদিকে, হযরত আলীর শরীরের ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওনবির রহমান জানান, আহতদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে।
বাড়ির মালিক আক্তার হোসেনের ছোট ভাই আসাদ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়াদের মাধ্যমে দুর্ঘটনার খবর পান তারা। পরে দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জোন-২ এর উপসহকারী পরিচালক ওসমান গণি।
তিনি জানান, বাসাটিতে গ্যাসের লাইন ও সিলিন্ডার উভয় ব্যবস্থাই ছিলো। গ্যাস সরবরাহ না থাকলে বাসিন্দারা সিলিন্ডার ব্যবহার করতেন। সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর সকালে চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন দগ্ধ হন।
এদিকে বন্দর থানার ধামগড় ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মুজাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। আহতরা সবাই বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।





