
নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫
নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি ফ্ল্যাট বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মা ও মেয়েকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ১১ জুন) এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ; একই পরিবারের চারজনসহ দগ্ধ ৫
নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি ফ্ল্যাট বাসায় সিলিন্ডার গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মা ও মেয়েকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে, বাবা ও ছেলেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহত অপর এক শিশু ওই পরিবারের সদস্য নয়। আজ (বৃহস্পতিবার, ১১ জুন) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মাইলস্টোন দুর্ঘটনা: সাড়ে তিন মাস চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরলেন যমজ দুই শিশু
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে প্রায় সাড়ে তিন মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বাড়ি ফিরলেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত দশ বছর বয়সী যমজ শিশু সারিনাহ জাহান সায়রা ও সাইবাহ জাহান সায়মা।

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: আহতদের দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের চিকিৎসার খোঁজ নিতে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ (শনিবার, ২৬ জুলাই) রাত ৯টা ১০ মিনিটে হাসপাতালে যান তিনি। হাসপাতালে পৌঁছে প্রধান উপদেষ্টা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিনের কাছ থেকে সেদিনের ঘটনার বর্ণনা শোনেন এবং আহত রোগীদের বর্তমান অবস্থা জানতে চান।

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভারতীয় চিকিৎসক দল
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীনদের সেবায় এগিয়ে এসেছে ভারত। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে দিল্লির দুটি শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সদের একটি প্রতিনিধিদল জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে প্রবেশ করে।

ঢাকাসহ আশপাশের হাসপাতালগুলোয় বেড়েছে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা
শীত মৌসুমে ঢাকাসহ আশপাশের হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা। জেলা হাসপাতালে দগ্ধ রোগীরা পর্যাপ্ত সেবা না পেয়ে ছুটছেন শহরে। যথাযথ চিকিৎসার অভাব ও দেরিতে হাসপাতালে আসায় বাড়ে মৃত্যুঝুঁকি।