সবশেষ গত ১৩ মে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় অবস্থিত জেরা মেঘনাঘাট পাওয়ার প্লান্ট সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে প্রতিষ্ঠানটির ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অগ্নিদগ্ধ হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। সেখানে ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হলেও বাকি ছয়জনকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে শংকর (২৫) নামে একজন মারা যান।
এর আগে ১১ মে ফতুল্লার কুতুবপুরের লাকী বাজার এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে বাবা-ছেলেসহ চারজন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে শুক্রবার (১৫ মে) বেলা পৌনে ১১টায় আব্দুল কাদির নামে একজনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:
তারও আগে ১০ মে সকালে ফতুল্লার উত্তর ভূইগড় এলাকার গিরিধারা এলাকার একটি আটতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন লাগে। এতে একই পরিবারের শিশুসন্তানসহ পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সবজি বিক্রেতা কালাম, তার স্ত্রী সায়মা, ১০ বছর বয়সী মেয়ে মুন্নি, ১২ বছর বয়সী ছেলে মুন্না এবং ৭ বছরের শিশু কন্যা কথার মৃত্যু হয়।
একের পর এক গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো নারায়ণগঞ্জজুড়ে। সচেতন মহল বলছে, গ্যাস লাইন ও সিলিন্ডারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি জরুরি হয়ে পড়েছে।





