আজ (রোববার, ২৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোতাছিম বিল্যাহ। এ মামলায় থেকে নূরু ভূইয়াকে খালাস দেয়া হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি বুলবুল আহমেদ গোলাপ।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— সাকিব বিশ্বাস, কালাম মোল্লা, আব্দুল্লাহ আল মতিন বাবু, বুলবুল আহমেদ ও গোলামুর রহমান সেলিম। এর মধ্যে বুলবুল আহমেদ ও গোলামুর রহমান সেলিম পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৪ মে রাতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার আগের দিন সেলিম তার বাড়িতে যেয়ে ইমরানের বোন লতার কাছ থেকে মোবাইল নাম্বর চায়। পরদিন রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে সাকিব ও বুলবুল ইমরানের বাড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন। পরে সেলিম ইমরানকে রমনপুর গ্রামের কালাম মোল্লার দোকানের পাশের একটি ব্রিজের কাছে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমরানের মাথার পেছনে ও তালুতে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আসামিরা পালিয়ে যায়।
এ সময় সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালেহা ইসলাম ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে আশপাশের লোকজনকে জানান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ইমরানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার তদন্তে আরও জানা যায়, ঘটনার প্রায় ছয় মাস আগে প্রতিবেশী বাবুর সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারি হয়েছিল। পরে গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি মীমাংসা হলেও সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
এ ঘটনায় ইমরানের বাবা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মাস্টার ওই বছরের মে মাসের ১৫ তারিখে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত এ রায় প্রদান করেন।





