মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন; সাভারে বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি

সাভারে বাড়ছে মশার উপদ্রব
সাভারে বাড়ছে মশার উপদ্রব | ছবি: এখন টিভি
0

সাভারে যেন নতুন আতঙ্কের নাম মশা। দিন-রাতের ব্যবধান না মেনেই বাড়ছে মশার উপদ্রব। এতে একদিকে যেমন বাড়ছে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি, অন্যদিকে দুর্ভোগে পড়েছেন সাভারবাসী। এ অবস্থা মশক নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তাদের।

সাভারের বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন, নালা ও জমে থাকা পানিতে জন্ম নিচ্ছে অসংখ্য মশা। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব, মশক নিধনে যেসব ওষুধ ছিটানো হচ্ছে সেগুলো কার্যকর না হওয়া ও অপর্যাপ্ত কার্যক্রমকে দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা। মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি স্থানীয়দের। মশার আক্রমণে দিনেও রাতে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না বলে জানান স্থানীয়রা।

উপজেলা প্রশাসন থেকে ওষুধ ছিটানো হলেও সেগুলো কার্যকর নয় বলে দাবি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির। বলছেন, মশা নিধনে এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে সাভারের মানুষ।

আরও পড়ুন:

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

ঢাকা নিটোরের অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. ইকবাল হাসান বলেন, ‘যখন কোনো মশা অসুস্থ রোগীকে আক্রমণ করে তখন রোগীর শরীরের জীবাণু মশা বহন করে। আবার সে মশা যখন একজন সুস্থ মানুষকে আক্রমণ করে তখন এ জীবাণু ওই সুস্থ মানুষের শরীরে চলে যায়।’

মশক নিধনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

সাভার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা একটা টিম গঠন করেছি যারা আমাদেরকে বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহারকারার জন্য বলেছে। আর সেগুলো আমরা কিনেছি, কিছু প্রক্রিয়াধীন আছে।’

মশার এ বাড়বাড়ন্ত নিয়ন্ত্রণে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কায় সংশ্লিষ্টদের।

জেআর