আহত মারুফা আক্তার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত। তাকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়ে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, আরিফুল ইসলামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় এবং মারুফার বাড়ি নেত্রকোণা সদর উপজেলার মদনপুর এলাকায়। প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের পর তারা বিয়ে করেন। তাদের সাত বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
প্রায় ছয় মাস আগে মারুফা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দেয়ার পর থেকে দম্পতি ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালেও কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন:
অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘কলেজ জীবন থেকে তাকে লেখাপড়া করিয়েছি। কিন্তু দিন দিন আমার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়ছিল। অতিষ্ঠ হয়েই এমন কাজ করেছি।’
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূরুল হুদা খান বলেন, ‘আহত নার্স মারুফাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে আরিফুল ইসলামকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





