বর্ণিল আয়োজনে রাঙামাটিতে বৈসাবি উৎসব শুরু

রাঙামাটিতে বৈসাবি উৎসব শুরু
রাঙামাটিতে বৈসাবি উৎসব শুরু | ছবি: এখন টিভি
0

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিষু-বিহু উৎসব শুরু হয়েছে। পাহাড়ে বসবাসরত ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব এটি। এ বছর পাহাড়ের প্রথম বর্নাঢ্য আয়োজনে রাঙামাটিতে পাঁচ দিনব্যাপী হচ্ছে এ বর্ণিল উৎসব।

উৎসবের প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি এর উদ্বোধন করেন। পরে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে হলে আমাদের পারস্পরিক সম্মান ও সহনশীলতা আরও জোরদার করতে হবে। কারও সংস্কৃতিকে অন্যের সঙ্গে একীভূত করার চেষ্টা না করে, বরং ভিন্নতাকে সম্মান জানিয়ে সহাবস্থানের পথই হতে পারে টেকসই সম্প্রীতির ভিত্তি।’

মূলত বাংলা পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বর্ষ বরণকে কেন্দ্র করে পাহাড়িরা ১৫ দিনব্যাপী এ উৎসব পালন করে থাকেন। মুল উৎসব হয় ৩০ চৈত্র। ১২ এপ্রিল কাপ্তাই হ্রদে ভাসানো হবে ফুল। রাঙামাটি জেলা পরিষদ ও জেলা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট ৬ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ৫ দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেছে।

আরও পড়ুন:

মেলা উপলক্ষে আজ (সোমবার, ৬ এপ্রিল) বিকেলে রাঙামাটি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মাঠে মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নানা বয়সের পাহাড়ি মানুষ অংশ নেন।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) অনুপ কুমার চাকমা এনডিসি পিএসসি, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, ডিসি নাজমা আশরাফী, এসপি মুহম্মদ আব্দুর রকিব।

এরপরই নাচে-গানে মেতে ওঠেন পাহাড়ি শিল্পিরা। পাহাড়িদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগী করতে সমতল থেকে আসা মানুষও যোগ দেন এ উৎসবে।

উল্লেখ্য, উৎসব উপলক্ষে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ মেলা চলবে। মেলায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ও ব্যবহার্য পোশাকের শতাধিক স্টল বসেছে।

এসএইচ