আজ (রোববার, ৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলা সদরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পলাতক রয়েছেন। মৃত রাকিবা নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, গতকাল রাতে প্রসব ব্যথা উঠলে রাকিবাকে আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা। হাসপাতালে ডা. সৈয়দ কামরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে রাকিবার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়।
অস্ত্রোপচারের কিছুক্ষণ পরই রাকিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তড়িঘড়ি করে তাকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। পরবর্তীতে রোগীর মৃত্যু হলে স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালে ভাঙচুর চালান।
আরও পড়ুন:
রাকিবার মা রেহেনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়েকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময়ই সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে দেখি তার কোনো শ্বাস-প্রশ্বাস নেই। তখনই বুঝতে পারি, অস্ত্রোপচারের সময়ই আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
তবে চিকিৎসক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে না পাওয়ায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানা যায়নি।
নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





