আহতরা হলেন— ঋতু বণিক, নাদিয়া আক্তার ও সামিয়া আক্তার। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
শিক্ষার্থীরা জানায়, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালীন ছাদের পলেস্তরা ও বিমের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এসময় বিকট শব্দ হয়। এ ঘটনায় তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিক শিক্ষার্থীরা প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি করে শেণিকক্ষ থেকে বের হয়ে যায়।
শ্রেণিকক্ষের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ছাদের পলেস্তরাসহ ভিম ভেঙে পড়ার দৃশ্য ও শিক্ষার্থীদের হুড়োহুড়ির দৃশ্য দেখা যায়। পরে আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।
আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভবনটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ঝুঁকি নিয়েই শিক্ষার্থীরা ক্লাস করে আসছে। নিরাপদ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নিশ্চিতে দ্রুত ভবন সংস্কার অথবা নতুন ভবনের প্রয়োজন। তা না হলে আরও বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কা রয়েছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মান্নান পাশা বলেন, ‘ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। আমাদের কয়কজন ছাত্রী আহত হয়।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম বলেন, ‘পাঠদানের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে কার্যক্রম চালানো হচ্ছিলো। এ নিয়ে উপজেলা ও জেলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। আহত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।’
রায়পুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ থাকার বিষয়টি আমাদেরকে অবহিত করা হয়েছিল। ঝুঁকির বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বরাদ্দ না থাকায় কোনো উদ্যোগ নেয়া যায়নি।’




