আজ (বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ) দুপুরেও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ায় মহাসড়কের ২৫ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করছে। এর আগে রাত থেকে ৬৫ কিলোমিটার এলাকাতেও একই ধরনের যানজট ছিল। বেলা বাড়লেও যানবাহনের চাপ কিছুটা কমলেও, ভোগান্তি কমেনি।
এদিকে, সকালেই মহাসড়কের নগরজালফৈ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামাল দিতে সকাল ১১টা ৩৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সেতুর উভয় লেন দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন পারাপার করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ জানায়, বুধবার দিবাগত রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত যানবাহন ধীর গতিতে চলছিল। কখনো থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। দেড় ঘণ্টার পথ পার হতে সময় লাগছে ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা।
আরও পড়ুন:
শেফালি বেগম নামের এক নারী বলেন, ‘ভোর রাতে চন্দ্রা বাসের জন্য এসেছিলাম। বাস পাইলেও সিট ছিল না। তাই ট্রাকে যাচ্ছি। যানজটে পুরো দিন মহাসড়কেই কেটে গেল। রোদে আমি সহ্য করেছি, কিন্তু আমার ছেলে-মেয়ের সহ্য হচ্ছে না। তাদের খুব কষ্ট হয়েছে।’
গার্মেন্টসকর্মী টুটুল মিয়া বলেন, ‘গতকাল চন্দ্রাতে যানবাহনের চাপ বেশি ছিল। তাই গতকাল বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়নি। আজকে যাচ্ছি, তবু ভোগান্তি কমেনি।’
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ উদ্দিন জানান, রাত ১২টা থেকে দুপুর ২টা ২২ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ২৮ হাজার যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি এক লাখ টাকারও বেশি।
টাঙ্গাইলের শামসুল আলম সরকার বলেন, ‘যানবাহনের বেপরোয়া গতির কারণে মহাসড়কে ধীর গতি দেখা যাচ্ছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।’





