নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসাস্থল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ১৯৮৭ সালে নির্মিত ভবনটি এখন নিজেই যেন এক ‘মুর্মূষু রোগী’। দীর্ঘ ৩৯ বছরে সংস্কারের কোনো ছোঁয়া না লাগায় বর্তমানে এর দেয়াল ও ছাদে দেখা দিয়েছে ফাটল, খসে পড়ছে প্লাস্টার।
সম্প্রতি ছাদ ধসে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নারী। এছাড়াও বাথরুমের পাইপ ফেটে নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে থাকার অযোগ্য হয়ে পড়েছে অফিস কক্ষ এবং ওয়ার্ডগুলো। বৃষ্টি হলেই দেয়াল চুঁইয়ে পানি পড়ে। হাসপাতালের ভবনের বিভিন্ন অংশ থেকে ছাদ খসে পরেছে এবং ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে বলে জানান স্বাস্থ্যকর্মীরা।
আরও পড়ুন:
কর্তব্যরত একজন ডাক্তার বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ফাটল ধরা ভবনে কাজ করা নিয়ে আমরা সবাই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি।’
বেশ কয়েকবার জানানোর পরও ভবনটি সংস্কারে উদ্যোগ না নেয়ায় ঝুঁকি নিয়েই রোগীদের সেবা দেয়ার কথা জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবুল মনজুর বলেন, ‘সবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এ বিষয়টিকে আমরা অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি। আর আমরা খুব শিগগিরই এর সমাধান করবো। মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি জানানোর পর তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে।’
৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রতিদিন চিকিৎসা নিয়ে যাচ্ছেন কয়েক শতাধিক রোগী।





