মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিএনপি এখন ক্ষমতায়। তার অর্থ হচ্ছে আমরা এখন জনগণের সেবক। আমি বারবার বলতে চাই, দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমি জিরো টলারেন্স। আমাদের দলের হোক না কেন। আমি সেক্ষেত্রেও বরদাশত করবো না।’
পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের সহায়তা চেয়ে পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘শান্তির পূর্বশর্ত হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। পাহাড়ে উন্নয়ন করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে হবে।’
পার্বত্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলে বৈষম্যহীন সুষম উন্নয়নে কাজ করা হবে। বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, কৃষি, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিসহ সব খাতকে সমন্বিতভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই। এতে পার্বত্য অঞ্চল এগিয়ে যাবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে।’
আরও পড়ুন:
পার্বত্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাঙামাটিতে দেশি পর্যটক বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক আনতে যা যা করণীয় করবো। এছাড়া রাঙামাটি-চট্টগ্রাম এবং রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়ক চার লেন করা হবে। পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে। এরমধ্য দিয়ে পার্বত্য রাঙামাটিকে মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এজন্য সাংবাদিকদের সার্বিক সহায়তা প্রয়োজন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন; মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কংকন চাকমা, জেলা বিএনপির সভাপতি দীপু তালুকদার, সিনিয়রসহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভুট্টো, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমাসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা।





