Recent event

ভোলায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা

জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা
জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা | ছবি: এখন টিভি
0

জাটকা সংরক্ষণ ও মাছের উৎপাদন বাড়াতে ১ মার্চ ও ৩০ এপ্রিল দুই মাস মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীসহ ইলিশের ছয়টি অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের লক্ষ্য ভোলায় জেলেদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করেছে মৎস্য বিভাগ।

আজ (বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোলার ইলিশা মাছ ঘাটে জেলেদের নিয়ে এই সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। এসময় কোস্ট গার্ডের প্রতিনিধি, নৌপুলিশ, মৎস্য বিভাগ প্রতিনিধি, মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলেরা এতে অংশ নেয়।

ভোলার দুটি অভয়াশ্রমে মৎস্য শিকার

মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকার দুটি অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মৎস্য শিকার বন্ধ থাকবে। এতে করে জাটকা (ছোট ইলিশ) রক্ষাসহ অন্যান্য সব ধরনের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন:

মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে প্রতিদিনই স্থানীয় হাট-বাজার, জেলে পল্লী-মাছ ঘাট ও মৎস্য আড়ৎগুলোতে জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা চালানো হচ্ছে।

জেলেদের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে জানান দিতে ব্যানার, পোষ্টার, লিফলেট, মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

এসময়ে জেলেদের গ্রহণ করা ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখার জন্য এনজিওগুলোকে চিঠি দেয়ার জন্য আহ্বান জানান জেলেরা।

ভোলার দুটি অভয়াশ্রমসহ দেশের মোট ছয়টি অভয়াশ্রমে একইসময় থেকে মৎস্য শিকারে নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে।

আরও পড়ুন:

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, শুধু জাটকা নয়, একসময় একইসঙ্গে অন্যান্য সব মাছের পোনা অভয়াশ্রমে বড় হওয়ার সুযোগ পাবে।

অভয়াশ্রম থেকে দু’মাস মাছ ধরা থেকে বিরত থাকলে ইলিসসহ সব প্রকারের মাছের প্রাচুর্যতা বাড়বে ভোলায়।

জেলার নিবন্ধিত এক লাখ ৬৮ হাজার জেলের মধ্যে লক্ষাধিক জেলে সহায়তা পেলেও অনিবন্ধিত প্রায় ৬৮ হাজার জেলে এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকে। তাই অনিবন্ধিত জেলেদের সহায়তার দাবি জানান মৎস্যজীবীরা।

এই দুই মাস জাটকা ধরা বন্ধে ৯০ হাজার ২১৩ জন জেলেকে মাসে ৪০ কেজি করে সরকারি চাল সহযোগিতা করা হবে। পাশাপাশি ১৩ হাজার ৬০০ জেলেকে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে।

এসএস