স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শরিফ কাইগী দীর্ঘদিন ধরে কুষ্টিয়ার পদ্মার চরাঞ্চলসহ রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চর এলাকায় ডাকাতি, ডাকাতিকালে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, দস্যুতা, অবৈধ দখল এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র কারবারসহ একাধিক গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন। এসব ঘটনায় দায়ের হওয়া প্রায় দেড় ডজন মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও কয়েকটি মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতেও তার নাম উঠে এসেছে বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, দৌলতপুরের চিলমারী ও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র সক্রিয় ছিল।
কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরাদুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। তাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’





