আজ (রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ভাষা শহিদ আবদুস সালাম স্টেডিয়ামে আনসার ও ভিডিপির নির্বাচনি প্রস্তুতিমূলক সমাবেশে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেয়ার সময় এ কথা জানান তিনি।
মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা গত দেড় বছর ধরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি। বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাছাই করে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। অতীতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এগুলো অনুসরণ করা হতো না। জেলায় ৫ হাজার ৫৬৪ জন সদস্য প্রস্তুত রয়েছে।’
এসময় তিনি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে সব সদস্যকে অটল পাহাড়ের ন্যায় দৃঢ় অবস্থানে থেকে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, অনিয়ম, ব্যালট বক্স ছিনতাই, জাল ভোট কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান।
আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ফেনী জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের দায়িত্ব অনেক কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের দিন হয়তো খাবার খেতে দেরি অথবা নাও সুযোগ পেতে পারেন। এতে আপনারা শুকনো খাবার ও খেজুর সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে চলে যাবেন। তবুও কেন্দ্র ছাড়া যাবে না।’
আরও পড়ুন:
১৭ বছর পর দেশে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হচ্ছে ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ইতিহাস তৈরি করবে। অতীতে এমন ইতিহাস হয়নি। ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে এটি উদাহরন হবে।’
নির্বাচনি প্রস্তুতিমূলক এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ফেনী জেলা কম্যান্ডান্ট মো. হেলাল উদ্দীন। তিনি জানান, জেলার মোট ৪২৮টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের জন্য ৫ হাজার ৫৬৪ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে মোট ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে ৩ জন করে অস্ত্রধারী আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।
তিনি আরও জানান, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের আগে সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন, সমন্বয় ও বাহিনী প্রদত্ত নির্দেশনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিশ্চিত করতেই এ প্রস্তুতিমূলক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে উপস্থিত সকলকে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের পেশাদারিত্ব, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও সততার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ধরনের চাপ বা প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার না করে বাহিনী প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করার ওপর গুরুত্বারোপও করেন তিনি।
এসময় লক্ষীপুর-১৮ আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক শিরিন সুলতানা, ফুলগাজী উপজেলার কর্মকর্তা আমির হোসেন, দাগনভূঞা উপজেলা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, সদর উপজেলার উপজেলা কর্মকর্তা শামীম আরা, ছাগলনাইয়া উপজেলার উপজেলা কর্মকর্তা প্রিভেল মাহমুদ, পরশুরাম উপজেলার উপজেলা কর্মকর্তা আবুল বাসার, উপজেলা প্রশিক্ষক ওমর ফারুক, সাখাওয়াত হোসেন, প্রশিক্ষক রুবেল, প্রশিক্ষক আবু সাইদ মাতুব্বর, প্রশিক্ষিকা পারভীন, প্রশিক্ষিকা ইসমত আরা, উপজেলা প্রশিক্ষিকা রহিমা খাতুন সহ বাহিনীর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।




 M Sakhawat Hossain-320x167.webp)
