গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- উপজেলার নবারটেক এলাকার মৃত সোবহানের পুত্র নূরু মিয়া (৬৭) ও একই এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে ফালান (৫০)। তবে মুল অভিযুক্ত ছানোয়ার এখনও গ্রেপ্তার হয়নি।
গ্রেপ্তার হওয়া নুরু ও ফালান যথাক্রমে মামলার ২ ও ৪ নম্বর এজাহানামীয় আসামি।
আরও পড়ুন:
র্যাব জানায়, ধর্ষিতা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীর (১৩) বাবা পেশায় একজন কৃষক। আসামিরা পূর্ব পরিচিত একই এলাকার বাসিন্দা। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে অভিযুক্ত আসামি ছানোয়ার ভিকটিমকে নগদ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তার বসতঘরে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে প্রকাশ না করার জন্য হুমকিও দেয়। কিন্তু ঘটনার দু’দিন পরে ধর্ষিতা কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়।
পরে ঘটনার ১১ দিন পর কিশোরীর বাবা রূপগঞ্জ থানা একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।





