Recent event

রি-এজেন্ট সংকটে বন্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাসপাতালে পরীক্ষা, ভোগান্তিতে রোগীরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল | ছবি: এখন টিভি
0

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে রি-এজেন্ট সংকটে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে অন্তত সাত ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বাড়তি মূল্যে পরীক্ষা করাতে গিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন রোগীর স্বজনরা। এছাড়া হাসপাতাল থেকে মিলছে না প্রয়োজনীয় ওষুধও।

গেল বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝিতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যবহৃত রি-এজেন্ট এর সংকট দেখা দেয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে। সময় বাড়ার সঙ্গে যা প্রকট আকার ধারণ করে। ফলে নভেম্বরের শেষ দিক থেকে পর্যায়ক্রমে বন্ধ হয়ে যায় বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম।

বর্তমানে রি-এজেন্ট সংকটে ইলেক্ট্রালাইটস, আরএ, এসজিপিটি, ডেঙ্গু এবং ইউরিক এসিডসহ অতি গুরুত্বপূর্ণ অন্তত সাতটি পরীক্ষা করা যাচ্ছে না হাসপাতালটিতে। সুলভ মূল্যে এ সব পরীক্ষা করতে পারতেন রোগীরা। এছাড়া, যেসব পরীক্ষার রি-এজেন্ট মজুদ রয়েছে, সেগুলোও শেষ হবার পথে বলে জানিয়েছেন প্যাথলজি ল্যাব সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত প্রয়োজনীয় ওষুধেরও সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে, সব ওষুধ মিলছে না হাসপাতাল থেকে। এতে ভোগান্তি বাড়ছে রোগী ও স্বজনদের। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বাড়তি মূল্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ কিনতে হিমশিম অবস্থা দরিদ্র রোগীদের।

আরও পড়ুন:

রোগীরা জানান, তাদের অনেক টেস্ট করতে দিয়েছে চিকিৎসক। এই টেস্টগুলো সরকারি হাসপাতালে করার ব্যবস্থা নেই। এ টেস্ট করার জন্য তাদের বাহিরের ক্লিনিকে যেতে হবে। এতে তাদের অনেক টাকা ব্যয় হচ্ছে তাদের।

ওষুধ এবং রি-এজেন্ট সংকট ছাড়াও হাসপাতালে রয়েছে শয্যা সংকট। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ রোগী ভর্তি হওয়ায় শয্যা না পেয়ে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হয় বেশিরভাগ রোগীদের। তবে, সব ধরনের সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে বলে জানালেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী বলেন, ‘কিছু টেস্ট আছে যেগুলোতে রোগীদের চাহিদা রয়েছে। আপাতত করতে পারছিনা আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে। আমাদের টেন্ডার লাইভে আছে কিছু দিনের মধ্যেই রোগীদের এ সমস্যা দূর করতে পারব।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে অন্তত ১৮ ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় তিনশো রোগী সুলভ মূল্যে পরীক্ষা করান এখান থেকে।

এফএস