ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার মোট ৩০লাখ ভোটারের বেশিরভাগই নারী। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে নারী ভোটারদের রাজনৈতিক সচেতনতা কম থাকায় ভোট প্রদান করেন পরিবারের পুরুষ সদস্যদের পরামর্শে। নারীর অগ্রযাত্রায় বাড়াতে হবে তাদের রাজনৈতিক সচেতনতা, ভোট প্রদান করতে হবে নিজ মতামতের ভিত্তিতে তবেই নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে জানান সচেতন নারী ভোটাররা।
নারী ভোটাররা জানান, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারীদের যে সচেতনতা তৈরি সেই ক্ষেত্রই এখনো তৈরি হয়নি। বাংলাদেশে নারীদের অধিকার কী কী? সংবিধানে অধিকার কী এ বিষয়ে জানতে পারলে নারীরা আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচনে নারীদের ভোট পরিবর্তন করতে পারে সমীকরণে। তবে ভোট কেন্দ্রিক সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা নারীদের ভোটে অংশগ্রহণ অনাগ্রহের কারণ বলছেন ভোটাররা।
একজন নারী ভোটার বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। যার কারণে নারীরা বাহিরে যেতে ভয় পায়।’
আরও পড়ুন:
অন্য আরেকজন নারী ভোটার বলেন, ‘যারা ভোটে জেতে তারা নারীদের কথা চিন্তা করে না। এজন্যই নারীদের নিজেদের রাজনীতি চর্চা করা দরকার।’
নারীর উন্নয়নে কাজ করবেন, ভূমিকা রাখবেন নিরাপত্তা, ন্যায্য মজুরি ও নারী শিক্ষা উন্নয়নে এমন প্রার্থী চান ভোটাররা। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে, সমাজের সব স্তরের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিতের দাবি তাদের।
একজন নারী উদ্যোক্তা বলেন, ‘ যারা জিতবে আমরা যারা নারী উদ্যোক্তা আছি আমাদের নিয়ে যেন একটু চিন্তা ভাবনা করে।
অন্য আরেকজন নারী উদ্যোক্তা বলেন, ‘একটি ভালো নেতৃত্ব ভালো ব্যবসায়ী পরিবেশ সৃষ্টি করে দেয়। আমরা আশা করি আমরা এমন একজন নেতৃত্বকে পাবো যিনি নারীদের ব্যবসায়ী ক্ষেত্রে সহায়ক হবেন।’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ায় নারী ভোটার রয়েছে ১৫ লাখের বেশি।





