নিহতের স্বামী সেন্টু আহমেদ জানান, নিখোঁজের দিন সন্ধ্যায় একটি ফোনকল পেয়ে তার স্ত্রী বাড়ি থেকে বের হন। এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর কোনো সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ ডিসেম্বর টগর খাতুন নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মেহেরপুর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে স্বামী সেন্টু আহমেদ মরদেহটি তার স্ত্রীর বলে শনাক্ত করেন।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।





