মঙ্গলবার প্রকাশিত ২৬ পৃষ্ঠার এক চিঠিতে আইআরজিসি মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক সহযোগীদের ভোট দিয়ে কংগ্রেসে না পাঠান। চিঠিতে মার্কিন প্রশাসনকে দায়িত্বজ্ঞানহীন উল্লেখ করে বলা হয়, ‘আমেরিকার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী প্রতারক রাজনীতিবিদদের ক্ষমতাচ্যুত করুন। আপনাদের রাজনীতিবিদদের বুঝিয়ে দিন যে বিশ্ব বদলে গেছে।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই খোলা চিঠি যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ ভোটারদের কতটুকু প্রভাবিত করবে তা অনিশ্চিত হলেও, নির্বাচনে ট্রাম্পের জন্য যে বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে সেগুলো তুলে ধরা হয়েছে। রয়টার্স ও ইপসোসের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৪ শতাংশ আমেরিকান ইরানে ট্রাম্পের সামরিক হামলাকে সমর্থন করেছেন। বাকিরা যুদ্ধ এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বিগ্ন।
অন্যদিকে, সাত মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসন ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে কাতার। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, সংঘাতের প্রভাব থেকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছেন।
তবে ওয়াশিংটনে এক বক্তব্যে নিজের জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের অবস্থা খুবই নাজুক। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা এখন খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে। জানি না তারা এখনই হাল ছাড়বে কি না, তবে তারা হার মানবে।’





