মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নুরুল ইসলাম, সায়মন ইসলাম, নাহিদুল ইসলাম রনি ও আনোয়ার হোসেন। এদের মধ্যে নুরুল ইসলাম ও সায়মন কারাগারে থাকলেও রনি ও আনোয়ার পলাতক রয়েছে।
খালাসপ্রাপ্তরা হলো, ইমন মিয়া, আল আমিন, সাকির আহমদ, পারভীন বেগম ও রোকসানা বেগম। রায় ঘোষণার সময় পলাতক আসামিরা ছাড়া অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর ফেসবুকে ছবি পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে বর্ষিজোড়া এলাকায় নাঈমের সঙ্গে রনির কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রনি ও তার বাবা নুরুলসহ কয়েকজন তাকে বাড়িতে নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান নাঈম।
ঘটনার পর নাঈমের বাবা চেরাগ মিয়া ১০ জনকে আসামি করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ৩ বছরের মধ্যে সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় প্রদান করেন আদালত। এ মামলার রায়ে সন্তুষ্ট নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
নিহতের বাবা ও মামলার বাদী চেরাগ মিয়া ও তার স্ত্রী রায়ে সন্তুোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আসামিরা এখনো তাদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাঁসির রায় কার্যকর হলেই তাদের ছেলের আত্মা শান্তি পাবে।’ তারা বলেন, ‘এভাবে যেন সন্ত্রাসের মাধ্যমে কারো মা-বাবার বুক খালি না হয়।’
জেলা দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট ড. আব্দুল মতিন চৌধুরী রায়ে সন্তুোষ প্রকাশ করে জানান, মাত্র তিন বছরের মাথায় রায় কার্যকর করা হয়েছে। তিনি জানান, দীর্ঘ এক বছর ধরে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক রায় দিয়েছেন।





