অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৫টায় মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে নতুন পে-স্কেল অনুমোদন পেলে পরবর্তী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারির (Pay Scale Gazette Notification) প্রক্রিয়া শুরু হবে।
আরও পড়ুন:
বেতন কমিশন বনাম সচিব কমিটির খসড়া (Pay Commission vs Cabinet Secretary Report)
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের মূল প্রস্তাবনার সঙ্গে সচিব কমিটির চূড়ান্ত খসড়ায় কয়েকটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে:
- বেতন বৃদ্ধির হার (Percentage of Salary Hike): সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন নবম জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির (Cabinet Secretary Nasimul Gani) নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের পর্যালোচনা কমিটি ১০০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধির সুপারিশ করেনি।
- বাস্তবায়নের কৌশল (Implementation Strategy): আগে দুটি ভিন্ন অর্থবছরে মূল বেতন ও ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও নতুন খসড়া অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জুলাই থেকেই মূল বেতন কার্যকর হবে, তবে তা কিস্তিতে বা ভেঙে ভেঙে দেওয়া হতে পারে।
আরও পড়ুন:
নতুন গ্রেড ও সর্বনিম্ন-সর্বোচ্চ মূল বেতন (Proposed New Grade & Salary Range)
বিদ্যমান ২০টি গ্রেড (20 Salary Grades BD) বহাল রেখে নতুন পে-স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ স্কেলে বড় ধরনের পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে:
- সর্বনিম্ন মূল বেতন (Minimum Basic Salary): বিদ্যমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব।
- সর্বোচ্চ মূল বেতন (Maximum Basic Salary): বিদ্যমান ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব।
বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর বেতন-ভাতায় বাজেটে বড় বরাদ্দ রাখা হয়। নতুন পে-স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে, যার কারণে ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:

