আজ (বুধবার, ১৪ জুলাই) এআই নিয়ে দেয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতায় অ্যালবানিজ একটি বিশেষ ‘এআই অফিস’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ওপেনএআই বা অ্যানথ্রোপিকের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো অস্ট্রেলিয়ার ডেটা বা তথ্য বিনামূল্যে ব্যবহারের কোনো সুযোগ পাবে না। প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনসহ (আরিয়া) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন।
অ্যালবানিজ বলেন, ‘শিল্পীর নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানের উচিত হবে না অস্ট্রেলিয়ার বই, সংগীত, শিল্প বা সংবাদ ব্যবহার করে এআই মডেল তৈরি বা প্রশিক্ষণ দেয়া। এর মধ্যে শিল্পীর কাজের মূল্য নির্ধারণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। এর ব্যতিক্রম কিছু হওয়া মানেই তা চুরি।’ সৃজনশীল পেশাজীবীদের সুরক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান আইনগুলো আরও স্পষ্ট করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো অস্ট্রেলিয়ার কপিরাইট আইনে বিশেষ ছাড় বা ‘টেক্সট অ্যান্ড ডেটা মাইনিং’ সুবিধার জন্য তদবির করে আসছিল। তবে লেবার পার্টি শুরু থেকেই ক্ষতিপূরণ ছাড়া এআই প্রশিক্ষণ দেয়ার বিরোধী। এ বিষয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা চলমান থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য সাংবাদিক, শিল্পী ও লেখকদের জন্য বড় ধরনের আশার বাণী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে বড় বড় ডেটাসেন্টার বা তথ্য সংরক্ষাণাগার স্থাপনের বিষয়েও কঠোর নিয়ম চালুর ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। এসব সেন্টার কোথায় তৈরি হবে, তারা যেন আবাসন প্রকল্পের জমি দখল না করে এবং বিদ্যুৎ ও পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে সেটি নিশ্চিত করা হবে।
অ্যানথ্রোপিক ও মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার কথা জানিয়েছে। মাইক্রোসফট অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট জেন লিভসে বলেন, মানুষ তখনই এই প্রযুক্তি গ্রহণ করবে যখন তারা বিশ্বাস করবে যে এআই নিরাপদ ও সুশাসিত।





