আজ (বুধবার, ১৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ তথ্য জানান।
সরকারের নেয়া পাঁচটি উদ্যোগ হলো—
১. বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর স্বার্থ বিবেচনায় চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারা দেশে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
২. কোথাও জলাবদ্ধতা বা যাতায়াতে সমস্যা দেখা দিলে প্রয়োজনে কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত কিংবা পরীক্ষার সময় বাড়ানোর মতো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
৩. প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যারা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশ নিতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ওই বিষয়ের স্থগিত পরীক্ষার দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
৪. পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটির কারণে সব পরীক্ষার্থীকে ওই দুটি প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর দেয়া হবে।
৫. পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে এইচএসসি শুধু একটি পরীক্ষা নয়; এটি আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগরদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তাই সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনা করছে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং তাদের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’




 party top candidate-320x167.webp)
