ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও কিয়ার স্টারমার যৌথভাবে এই জোট গঠনে ভূমিকা রেখেছিলেন। সম্মাননা প্রদানকালে ম্যাক্রোঁ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ভদ্রতা ও মানবিক গুণাবলির’ প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ইউরোপের নিরাপত্তা, ইউক্রেন পরিস্থিতি এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে স্টারমারের প্রতিশ্রুতি ও অবদান অনস্বীকার্য। একজন ‘নির্ভরযোগ্য ও বন্ধুপ্রতিম অংশীদার’ পাওয়ায় স্টারমারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।
আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব ছাড়তে যাওয়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও। ফরাসি প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেলেনস্কি ছাড়াও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস উপস্থিত ছিলেন এবং তারা স্টারমারকে ধন্যবাদ জানান।
আরও পড়ুন:
প্রতিবছর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রায় ২ হাজার ফরাসি নাগরিক এবং ২০০ জন বিদেশি নাগরিককে এই সম্মাননা দেয়া হয়। এর আগে স্যার উইনস্টন চার্চিলকেও এই পদকের সর্বোচ্চ ধাপ ‘গ্র্যান্ড ক্রস’-এ ভূষিত করা হয়েছিল। ১৮০২ সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই সম্মাননা প্রবর্তন করেন।
ইতিহাসে নেলসন ম্যান্ডেলা, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট আইজেনহাওয়ার এবং ভলোদিমির জেলেনস্কি এই সম্মাননা পেয়েছেন। তবে এই পদক নিয়ে বিতর্কও কম নেই। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, লিবিয়ার মুয়াম্মার গাদ্দাফি, ইতালির বেনিতো মুসোলিনি এবং স্পেনের একনায়ক ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোকেও বিভিন্ন সময়ে এই পদক দেয়া হয়েছে।
এখন পর্যন্ত একমাত্র বিদেশি নেতা হিসেবে পানামার সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে এই সম্মাননা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর হলিউড মোগল হার্ভে ওয়াইনস্টিনের পদকটিও কেড়ে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ।




