প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানের বাসভবন থেকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছান। এসময় তার পাশের আসনে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।
পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহিদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। যার তাৎক্ষণিক উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালেগুলো উন্নত করতে গৃহীত পদক্ষেপের কথাও জানান তারা।
আরও পড়ুন:
১০টি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ১৯টি হোস্টেল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে দু’টি ছাত্রী হোস্টেল নির্মাণ-সংক্রান্ত উপস্থাপনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হয়। তিনি প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেন। পরে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন।
এছাড়া ডিএমসি-ডে ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় অংশ নেন সরকারপ্রধান।
বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।





