প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ জুন থেকে শুরু হওয়া তাপদাহের ওই সপ্তাহে রাজধানী প্যারিসে মৃত্যুর হার ৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এছাড়া পে দে লা লোয়ার অঞ্চলেও একই ধরনের প্রাণহানি দেখা গেছে। জুনে ফ্রান্সে টানা ১১ দিন ধরে তাপপ্রবাহ চলে, যেখানে অনেক স্থানেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে ছিল।
দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট জানিয়েছেন, এবারের মৃত্যুর সংখ্যা ২০০৩ সালের ভয়াবহ তাপদাহের মতো না হলেও গত বছরের তুলনায় বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০০৩ সালে ফ্রান্সে গরমে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিলেন। প্যারিসের সরকারি হাসপাতাল ব্যবস্থার মহাপরিচালক নিকোলাস রেভেলও এবারের প্রাণহানি গত বছরের ৫ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন।
এদিকে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে ‘অপ্রতুল’ দাবি করে রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়েছে। গ্রিন পার্টি এরই মধ্যে সেবাস্টিয়েন লেকোর্নুর সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফ্রান্সে গরমের তীব্রতা বাড়ছে বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।





