গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২ জুন) রাত ১১টার দিকে সেনবাগ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিনন্নাগুনি এলাকার একটি বাসা থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ১৫ মে ওই ব্যক্তি নিজেকে সেনবাগ পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী পরিচয় দিয়ে বিনন্নাগুনি এলাকার শামসুদ্দিনের দোতলা ভবনের নিচতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। সেই সময় পরিবার নিয়ে থাকবেন বলে জানালেও, এখন পর্যন্ত ওই কক্ষে একাই বসবাস করছিলেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আজ দুপুরেও তিনি হোটেল থেকে খাবার খেয়ে রুমের ফ্লোরে শুয়ে ছিলেন। রাতে বাড়ির মালিক ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে তাকে ডাকেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে সেনবাগ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ নিহতের কক্ষ তল্লাশি করে একটি কালো রঙের ব্যাগ থেকে একসেট সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম (পোশাক) এবং ‘ফরহাদ’ নামের একটি নেমপ্লেট উদ্ধার করে।
তবে নিহতের প্রকৃত পরিচয় এবং তিনি আসলেই সেনাবাহিনী বা পল্লী বিদ্যুতের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সেনবাগ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, ‘খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’





