ইসমাইল বাঘাই উল্লেখ করেছেন, আইএইএ-র সঙ্গে যেকোনো ধরনের মিথস্ক্রিয়া বা সহযোগিতা হবে ইরানের সংসদ এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল নির্ধারিত ‘বিদ্যমান নীতিমালা’ অনুযায়ী। এর অর্থ হলো, ইরান ভবিষ্যতের পরিদর্শনের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে না দিলেও, বিষয়টিকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ আইনি ও নিরাপত্তা কাঠামোর শর্তসাপেক্ষ করে রেখেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত পরিদর্শন শুরু হলেও বেশ কিছু জটিলতা থেকে যাবে। বিশেষ করে এই পরিদর্শনের নিয়মাবলি কেমন হবে এবং যে সাইটগুলোতে বোমা হামলা হয়েছে, সেগুলোতে প্রবেশের অধিকার পাওয়া যাবে কি না—তা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ফলে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি কারিগরি ও ব্যবহারিক দিক থেকেও পরিদর্শনের বিষয়টি বড় বাধার সম্মুখীন হতে পারে।





