শেকড়ের টানে কর্মব্যস্ত নগরী ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। কেউ বাসে, কেউ ট্রেনে, কেউ লঞ্চে ধরেছেন বাড়ির ফেরার পথ। এবার দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়বে এমন ধারণ যোগাযোগ সংশ্লিষ্টদের।
ঘর ফেরা মানুষের আনন্দের পাশাপাশি চিন্তার ভাঁজ অনেকের কপালে। ফাঁকা বাসায় পড়ে আছে দামি সামগ্রী।
ঢাকার বাসিন্দাদের একজন বলেন, ‘জিনিসপত্র সব বাসার মধ্যে তো লক করে চলে আসলাম। বাট এখন সিকিউরিটি কি হবে, সেটা তো ডিপেন্ড করতেছে ঢাকার যারা আইনশৃঙ্খলা দায়িত্বে আছে তাদের ওপর।’
অন্য আরেকজন বলেন, ‘আমাদের নাগরিকদের যতটুকু হচ্ছে প্রয়োজন, আমরা ততটুকু সেফটি মেইনটেইন করে যাচ্ছি, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা।’
কেউ ভরসা করছেন দারোয়ানের ওপর আবার কেউ নিজ উদ্যোগে দামী জিনিসপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন:
কোরবানি ঈদে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ কাজ করছে। এছাড়া গরুর বাজার, শপিং মল ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাড়ি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
রোজার ঈদে রাতের ঢাকায় নিরাপত্তায় ৫০০ পেট্রোল টিম মোতায়েনের কথা জানিয়েছিল ডিএমপি। এবারও একই ধরনের সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকার কথা বলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া চোর ডাকাতদের তালিকা তৈরি করে ব্যবস্থা নিচ্ছে ডিএমপি। যাতে ফাঁকা বাসার নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একটা শ্রেণী যারা এই যে সিঁধেল চোর যাদেরকে আমরা বলি, এরা ওই যে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দেখে যে কোন বাসাটা ফাঁকা আছে, লাইট জ্বলে না, এই সমস্ত বাসায় গ্রিল কেটে অনেক সময় ঢোকার চেষ্টা করে। এইটা আমাদের নলেজে আছে, আমরা প্রতিবারের ন্যায় এবারও ওই সময় আবাসিক এলাকাগুলোতে বিশেষ টহল থাকবে এবং থানাভিত্তিক যারা ইতিপূর্বে কোনো সিঁধেল চুরি বা এ জাতীয় অপরাধের সাথে জড়িত ছিলো ওদের প্রতি আমাদের নজরদারি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য আমরা অলরেডি অভিযান পরিচালনা করছি।’
রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। আবাসিক এলাকায় নিয়মিত মোবাইল পেট্রোলিং চলছে। সন্দেহজনক কাউকে দেখলে ৯৯৯-এ জানাতে নাগরিকদের অনুরোধ করছি।




