পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফোনালাপে দুই নেতা অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি সই হওয়া সত্ত্বেও সেখানে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা 'গভীর উদ্বেগ' প্রকাশ করেন। তারা একমত হয়েছেন যে নতুন সংঘাত শুরু হলে তা কারো উপকারে আসবে না, বরং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল উত্তেজনা প্রশমন ও সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে ইশহাক দার সব পক্ষকে 'সর্বোচ্চ সংযম' প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ দেয়া উচিত।
গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান ও ইসরাইলের পাল্টাপাল্টি হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানের ওপর হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। পরে জুনের মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সংঘাত বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনে হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার পর দুই পক্ষ আবার পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়ে পড়েছে।
সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে তেহরান।





