ঈদযাত্রায় বাড়ির পথে ছুটছে মানুষ। বাস-ট্রেনের টিকিট না পেয়ে শেষ মুহূর্তে অনেকেই অপেক্ষায় থাকেন চলতি দূরপাল্লার যানবাহনের। সুযোগ পেলে হাটে গরু নামিয়ে যাওয়া ট্রাকসহ অন্যান্য মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানে উঠে বাড়ির পথ ধরছেন অনেকেই। এমন ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াতে দুর্ঘটনায় হচ্ছে প্রাণহানিও। তবুও সচেতনতা নেই যাত্রীদের, নিয়ন্ত্রণে যেমন নজর নেই প্রশাসনের।
প্রতিবারের ঈদযাত্রাতেই সড়ক পথে ধরা পড়ে নানা ধরনের অনিয়ম-বিশৃঙ্খলা। এবার সড়ক যাত্রায় এখনও পর্যন্ত স্বস্তির বার্তা থাকলেও রাজধানীর টার্মিনালগুলোতে আছে দীর্ঘ অপেক্ষার অভিযোগ। যা ভিত্তিহীন বলছেন কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীদের একজন বলেন, ‘আমরা দাঁড়ায় রইছি তো মনে করেন যে অনেকক্ষণ ধইরা। প্রায় আধা ঘণ্টা ৪০ মিনিট হবে। সিরিয়ালেই আছি এখন। এখনো ওই কাউন্টার পর্যন্ত যাইতে পারি নাই।’
বাস কর্তৃপক্ষদের একজন বলেন, ‘এখন অভিযোগ নেই। কারণ যে তেলের দাম বাড়ানো হইছে এটা যাত্রীরাও জানে, সবাই জানে। আমার ঢাকা-খুলনার ভাড়া ছিল ৮০০, ৬৬৭ টাকা আমরা ৮৬০ টাকা করে নিচ্ছি।’
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে রেলপথে এবার ভোগান্তির চেয়ে স্বস্তি কিছুটা বেশি। বাঁধভাঙা আনন্দ ও উচ্ছ্বাস নিয়ে পরিবার প্রিয়জনের সাথে ঈদ উদযাপনের তাগিদ প্রতিটি প্রাণের। তীব্র গরম, ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করেও ফিরছে মানুষ। তবে উত্তরের নীলসাগর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী ও রংপুর এক্সপ্রেস দেরি ছাড়ায় অভিযোগও মিলেছে কমলাপুরে।
যাত্রীদের অন্য আরেকজন বলেন, ‘রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন আসার কথা ছিলো ৯টা ১০মিনিটে, তবে ট্রেন আসছে হচ্ছে ১০টা ৪৫মিনিটে।’
যাত্রা নিরাপদ রাখতে তৎপর রয়েছে প্রশাসন৷ বিনা টিকিট বা ছাদে ভ্রমণ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস কমলাপুর রেলওয়ে ম্যানেজারের। আর সড়কে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বাস টার্মিনালগুলোতে কালোবাজারি রোধে মোবাইল কোর্ট কাজ করছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘প্রতিটি টার্মিনালে পুলিশ টহল ও ফুট পেট্রোল ব্যবস্থা কার্যকর আছে। যাত্রী হয়রানি, টিকিট কালোবাজারি, ছিনতাই এবং চাঁদাবাজ প্রতিরোধে আমাদের নজরদারি অব্যাহত আছে।’





