ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাতীর সরাতৈল এলাকায় রড বোঝাই ট্রাক উল্টে খাদে পড়ে ১৫ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আারও ৯ জন। সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এখন পর্যন্ত নিহত ১৫ জনের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন নওগাঁর মান্দা উপজেলার সাকিম মিয়ার ছেলে মো. সাগর মিয়া (২০), একই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম (২৫), নেয়ামতপুর উপজেলার সাইদুলের ছেলে সারিকুল (২৫), রাজশাহীর তানোর উপজেলার আলতাফ হোসেনের ছেলে ইসমাইল
হোসেন (১৯), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার নজরুল (৬০) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মামুন (৪৫)।
আরও পড়ুন:
টাঙ্গাইলের (অতিরিক্ত) পুলিশ সুপার ফৌজিয়া হাবিব বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করে জানান, চট্রগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা একটি রড বোঝাই ট্রাক যাত্রী নিয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিলো। এ সময় ট্রাকটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মযুনা সেতু সংযোগ সড়কের কালিহাতীর সরাতৈল এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যমুনা সেতু সংযোগ মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতদের সকলের বাড়ি রাজশাহীর, নওগাঁও চাপাইনবাবগঞ্জ এলাকার বলে জানা গেছে।
তিনি আরও জানান, নিহত ও আহতরা সকলেই নোয়াখালী জেলার চৌমূহনী এলাকায় ভাঙ্গারি মোবাইল ফোন ফেরী করে ক্রয় করে। আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে তারা ফেনী জেলার মহিপাল থানা এলাকা হতে উক্ত রড ভর্তি ট্রাকে উঠে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত নওগাঁর মান্দা উপজেলা আব্দুল রহিমের ছেলে আব্দুল রহমান জানান, হঠাৎ করেই ট্রাকটি দুলতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেটি উল্টে যায়। এরপর চারদিকে চিৎকার-আর্তনাদ শুরু হয়। অনেকেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাদিকুর রহমান জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ১৫ জনের মরদেহ আনা হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় ৯ জন ভর্তি হয়। এরমধ্যে চিকিৎসা নিয়ে চারজন চলে গেছে। বাকি ৫ জন হাসপাতাল চিকিৎসা নিচ্ছে।





