শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সেশনজট যেন বন্ধ হয়ে যায়, আমরা সেভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি চালু করবো। আমাদের টার্গেট হলো, অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার হবে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। বিগত সময়ে শিক্ষায় যে অব্যবস্থা রয়েছে, সেগুলোর সমাধান করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের বুঝতে হবে, ১৬ বছরে এসএসসি শেষ করতে হয়, দ্বাদশ শেষ করতে হয় ১৮ বছরে। কিন্তু আমরা শেষ করি, ১৭ বছরে এসএসসি ও ২০ বছরে এইচএসসি। এতে সব মিলিয়ে অন্তত ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন থেকে ৪০ লাখ বছর হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কারিকুলামের জন্য এক্সট্রা বছর যেন হারিয়ে না যায় সেই চেষ্টা আমরা করছি।’
আরও পড়ুন:
এসময় প্রধান অতিথি আইইউটির মানসম্মত গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে ধারাবাহিক সাফল্যের প্রশংসা করেন এবং দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় উৎকর্ষতা অর্জনে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষতা, গবেষণায় সাফল্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য নির্বাচিতদের মধ্যে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।





