গার্মেন্টসটির কর্মরত শ্রমিকেরা জানান, সকালে কারখানায় আসলে দরজাটি বন্ধ অবস্থায় দেখতে পায় শ্রমিক ও কর্মচারীরা। পরে দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করলে ভেতরে ঝুলন্ত মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন তারা। পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে গার্মেন্টসটির সামনে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করে এবং এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমরা ঘটনাস্থল এসে মরদেহটি উদ্ধার করি। এ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের কাজ চলছে।
আরও পড়ুন:
প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিদ্যুৎ জানান, আমাদের এক কর্মকর্তা কারখানার ভেতরে ফাঁসি দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে শ্রমিক-পুলিশসহ সকলকে নিয়ে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। আমাদের কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা হচ্ছে সবার উপস্থিতে পুরো ঘটনার তদন্ত করা হবে।
এদিকে নিহতের এক স্বজন জানান, গতকাল সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি। পরে প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানি যে, সে বিকেলে বের হয়ে গেছে, কিন্তু বাসায় যায়নি। আজকে জানতে পারি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, সে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু আমাদের কাছে মনে হচ্ছে তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।





