তিনি আরও বলেন, ‘হাসপাতালটি অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শেষ হতে আরও ৬ মাসের মত সময় লাগবে। এরপর কি পরিমাণ জনবল, মেশিনারিজসহ অনান্য সাপোর্ট দরকার হবে সেটা হিসেব নিকেশ করে দ্রুত চালু করা হবে।’
আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বরিশালের শিশু হাসপাতালের কাজ প্রায় শেষ। বিগত সরকারের আমলে চেইন ছিলো না, কারো সঙ্গে কারো যোগাযোগ ছিলো না। কোনো জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। অপরিকল্পিত প্লান দিয়ে টাকা লুটপাট করেছে। সে কারনেই এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়াতে জনবল নিয়োগ দেয়া হচ্ছে, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে নেয়া হবে।’
হাম নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের হাতে আগামী দুই বছরের হাম সহ শিশুদের সব ধরনের ভ্যাক্সিন মজুদ রয়েছে। টিকার কোনো সংকট হবে না।’
এর আগে সকাল সাড়ে ১১ টায় বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। সেখানে এক কর্মীকে অনুপস্থিত পেয়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। পরে তিনি চিকিৎসকদের হাজিরাখাতা পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।





