এর আগে গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের পক্ষ থেকে এমন একটি প্রস্তাব দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে যা যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো পূরণ করতে পারে। তবে সেই প্রস্তাবের বিষয়বস্তু সম্পর্কে তার কাছে বিস্তারিত কোনো তথ্য নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পেন্টাগনে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘ইরানের সামনে এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘‘চমৎকার চুক্তি’’ করার সুযোগ রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন,‘তাদের কেবল অর্থবহ এবং যাচাইযোগ্য উপায়ে পারমাণবিক অস্ত্রের পথ ত্যাগ করতে হবে।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচির মাধ্যমে পাকিস্তানের কাছে এই দাবি ও আপত্তি জানানো মূলত সরাসরি আলোচনার আগে দর-কষাকষির একটি অংশ। পাকিস্তান এখন এই বার্তাগুলো ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেবে, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী দফার বৈঠকের ভাগ্য নির্ধারিত হতে পারে।





