চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের জানান, বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন স্বাভাবিকভাবেই চলতে পারে। একটি ইরানি জাহাজে চীনা সংশ্লিষ্টতা থাকলেই সেটিকে বেইজিংয়ের ‘উপহার’ বলার কোনো ভিত্তি নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
আরও পড়ুন:
প্রতিবেদনে জানা যায়, গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মার্কিন নৌ-বাহিনী ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান এই কৌশলগত জলপথ কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে, একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজ আটক করেছে এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সব ধরনের আঞ্চলিক বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারস্য উপসাগর থেকে ভারত মহাসাগরে যায়। বর্তমান সংকট এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথকে কার্যত অচল করে দিয়েছে।




