প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বগুড়ায় এটিই তারেক রহমানের প্রথম জনসভা। তারেক রহমানের পৈতৃক ভিটা বগুড়ায় আগমন উপলক্ষে এ জনসভার আয়োজন। জনসভায় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়, বিমানবন্দরের কাজ শুরুর করার প্রতিশ্রুতি দেন সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা ৭১, ৮৬, ৯৬, ১/১১ এর সময় জাতিকে বিভ্রান্ত করেছে। এদের বিষয় সর্তক থাকতে হবে। জনগণের স্বার্থে যেই কাজ তারা সেটা রেখে দেয়, কীভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে পারবে তা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।’
ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ ও সর্তক থাকতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা এ দেশে স্বাধীনতা ও অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, তাদের বিশ্বাস করা যায় না। ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, যারা সংস্কার সংস্কার বলে জাতিকে বিভ্রান্তি করতে চাচ্ছে, তারা নারীদের নিয়ে কোনো কথা বলে না, কীভাবে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করতে তা বলে না।’
আরও পড়ুন:
সরকারপ্রধান বলেন, ‘তারা শুধু সংবিধান সংবিধান সংস্কার বলে বিভ্রান্ত করছে। বিএনপি সরকার কোনো বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পা দেবে না। বিএনপিকে মানুষ ভোট দিয়ে ম্যান্ডেট দিয়েছে। জুলাই সনদসহ মানুষকে যেই প্রতিশ্রুতি বিএনপি দিয়েছে, তাই বাস্তবায়ন করবে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন সংস্কারের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা করেছিল, তখন অন্য কোনো রাজনৈতিক দল স্বৈরাচারের ভয়ে সংস্কার উচ্চারণ করেনি। বিএনপি স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিল।’
তারেক রহমান বলেন, ‘ঐক্যমত কমিশনে আলোচনা করে বিএনপি জানিয়েছে, কোনটায় বিএনপি একমত, কোনটা করবে না। সেভাবেই বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি যেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, তা অক্ষরে অক্ষরে সরকার বাস্তবায়ন করবে। তবুও কিছু রাজনৈতিক দল সংসদ ও সংসদের বাইরে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে নানা কথাবার্তা বলছে।’
আরও পড়ুন:
যারা দেশে গোলযোগ করার পায়তারা করার চেষ্টা করছে, তাদের মাথায় স্বৈরাচারের ভূত চেপেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, ‘উন্নয়নের নাম করে মেগা দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছিল স্বৈরাচার সরকার। কিছু মেগাপ্রকল্পের নামে দুর্নীতি ছাড়া তারা কিছু করেনি।’
বিএনপির সব কাজ দেশের মানুষের জন্য বলেও জানান তিনি।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজনৈতিক সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ উপকৃত হবে।’





