আজ (শনিবার, ১৬ মে) রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রমের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার।
তিনি বলেন, ‘হজযাত্রীরা যেহেতু ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত, তাই এয়ারলাইন্সগুলোর নিজেদের মতো করে ভাড়া নির্ধারণের সুযোগ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র পাঁচ দিনের হলেও ফ্লাইট শিডিউলের কারণে অনেক যাত্রীকে অতিরিক্ত প্রায় ৪০ দিন সৌদি আরবে অবস্থান করতে হচ্ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এ সময় কমাতে পারলে যাত্রীদের অর্থ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হতো।’
আরও পড়ুন:
এসময় হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার বলেন, ‘হজ প্যাকেজের মূল্য বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য। তারা হাজিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে।’
বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা ভবিষ্যতে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আরও বলেন, ‘বিমান ও সৌদি এয়ারলাইন্সের দাবি ফেরার পথে অনেক সময় ফ্লাইট খালি যায়, এজন্য ভাড়া বেশি রাখা হয়। তবে ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকার ভাড়া অযৌক্তিক। ভবিষ্যতে এই ভাড়া ১ লাখ টাকার মধ্যে আনার চেষ্টা করা হবে।’
ভাড়া কমানো গেলে হজযাত্রীর সংখ্যাও বাড়বে বলে মত দেন তিনি। হাব জানায়, এবারের হজ মৌসুমে এখন পর্যন্ত ১৫৪টি ফ্লাইটে ৫৯ হাজার ৫৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। আগামী ২১ মে পর্যন্ত মোট ৭৮ হাজার হজযাত্রী পবিত্র ভূমিতে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।




