আজ (সোমবার, ২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি গুদামে সংরক্ষিত এই মোট খাদ্যশস্যের মধ্যে ১৪ লাখ ৬৪ হাজার টন চাল এবং ৩ লাখ ৭ হাজার টন গম রয়েছে। সরকার জি-টু-জি ব্যবস্থা এবং উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বিদেশ থেকে চাল ও গম আমদানি করছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫ লাখ টন চাল আমদানির চুক্তির বিপরীতে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৫৭ হাজার টন চাল দেশে পৌঁছেছে, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এবং জি-টু-জি চুক্তির মাধ্যমে ১ লাখ টন চাল পাওয়া গেছে। গমের ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে ৬ লাখ ৬০ হাজার টন জি-টু-জি চুক্তির আওতায় এবং ৫০ হাজার টন আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে সব মিলিয়ে ৭ লাখ ৩ হাজার টন গম পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬০ হাজার টন গম নিয়ে একটি জাহাজ আগামী ২৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বোরো ও আমন মৌসুমে খাদ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ চালকল মালিকদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া কৃষি সহায়তা কার্ডধারী প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সরাসরি ধান ও গম কেনা হচ্ছে।’
আসন্ন ২০২৬ সালের বোরো সংগ্রহ মৌসুম (মে থেকে আগস্ট) নিয়ে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ১২ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ টন আতপ চাল এবং ৫ লাখ টন ধান সংগ্রহের প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন করা হবে।’





